Skip to content
Home » Blog » রশিদ বই – পরিচিতি, ব্যবহারবিধি

রশিদ বই – পরিচিতি, ব্যবহারবিধি

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে আমাদের কাজ কে আরও গতিশীল করতে আমরা কয়েকটি ডকুমেন্টের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি।

১। রশিদ বই – এখন থেকে আমাদের সকল আদান প্রদান হবে রশিদের মাধ্যমে।
২। জমা বই – যা সদস্যদের কাছে থাকবে, টাকা আদায় করে সেটাতে উঠিয়ে রাখবেন।

জমা বই টি আপাতত করা হবে না। যেহেতু এটা সকলের হাতে তুলে দিতে হবে তাই এটা আমরা করব সম্মেলন কে সামনে রেখে।

রশিদ বই ব্যবহারের নিয়মঃ
এখন থেকে যত ধরনের টাকা সমিতিতে প্রবেশ করবে তার জন্য আমরা ব্যবহার করব এই রশিদ টি। সেটা যে কোন খ্যাতেই হতে পারে।

বিবরণঃ

জমা রশিদ – উপরে লিখা আছে জমা রশিদ, তার মানে আমরা এটা কে শুধু জমার খ্যাতেই ব্যবহার করব, খরচের জন্য অরেকটি হবে।

ক্রমিক ও তারিখ – জমা রশিদের ক্রমিক নং হবে, আর তারিখ হবে যে দিন রশিদ ইসু হচ্ছে সেদিনের।

নাম – মূলত যার টাকা তার নাম বসবে, সে সদস্য হোক বা ব্যবসায়িক হোল্ডার হোক।

কোড – সদস্য হলে তার কোড আর ব্যবসা বা অন্য কোন সেক্টরের হলে সেটার একটি কোড থাকবে সেটি এখানে বসবে।

ঠিকানা – এলাকার নাম ও ফোন নাম্বার লিখবে এখানে।

টাকা ও কথায় – এখানে পরিমান লিখবে।

মাধ্যম – এখানে টাকা পাঠানোর মাধ্যম উল্লেখ করবে, যেমন ব্যংক বা মো্বাইল ব্যংকিং এর নাম ও কিছু পরিচিতি উল্লেখ থাকবে, যদি এক জনের টাকা অন্য জন আদায় করে তাহলে তার নাম উল্লেখ করবে।বিবরণ – এখানে টাকা টা কোন বাবদ জমা হচ্ছে তা লিখা হবে।

আদায়কারী ও কোষাধক্ষ – আদায় কারী হলো যে রশিদ দিয়ে টাকা গ্রহন করছেন। আর কোষাধক্ষ হলো যার কাছে মূলত টাকা জমা হবে। এটা এখন পর্যন্ত একজন ই আছে ভবিষ্যতে আলাদা হতে পারে।

আশা করি বিষয়গুলো সবার কাছে স্পষ্ট। কপিটি ফাইনাল করেছেন আমাদের কার্যকরী কমিটি। তবুও আপনাদের কাছে যদি কোন যৌক্তিক বিষয় থাকে যা ‍অনুযায়ী এটা পরিবর্তন করলে ভালো হয় তাহলে অবশ্যই বলবেন। আমরা গুরুত্বসহকারে দেখব বিষয়টি।যাজাকুমুল্লাহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *